কপিরাইট ফ্রি ছবি ও মিউজিক ডাউনলোড করার সেরা ১০টি ওয়েবসাইট | Copyright Free Image and Music Download 10 Websites

কপিরাইট ফ্রি ছবি ও মিউজিক ডাউনলোড করার সেরা ওয়েবসাইটগুলোর তালিকা
সেরা কপিরাইট ফ্রি ছবি ও মিউজিক ওয়েবসাইট

কপিরাইট ফ্রি ছবি ও মিউজিক ডাউনলোড করার সেরা ১০টি ওয়েবসাইট

আপনি যদি একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবার বা ব্লগার হন, তবে নিশ্চয়ই জানেন একটি সুন্দর ছবি বা মানানসই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আপনার কন্টেন্টকে কতটা আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। কিন্তু ইন্টারনেট থেকে যেকোনো ছবি বা মিউজিক ডাউনলোড করে নিজের ভিডিও বা ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এর ফলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে 'Copyright Strike' আসতে পারে অথবা আপনার শখের ব্লগটি গুগলের DMCA পলিসির কারণে পেনাল্টি খেতে পারে। এমনকি এডসেন্স (AdSense) এপ্রুভাল পাওয়ার ক্ষেত্রেও কপিরাইট যুক্ত ছবি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

তাহলে উপায় কী? সমাধান হলো 'রয়্যালটি ফ্রি' (Royalty-Free) বা কপিরাইট ফ্রি উপাদান ব্যবহার করা। বর্তমানে ইন্টারনেটে এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখান থেকে আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং আইনগত ঝামেলা ছাড়াই ছবি, ভেক্টর ও মিউজিক ডাউনলোড করতে পারবেন। PriyoTips-এর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এমন সেরা ১০টি ওয়েবসাইটের তালিকা এবং তাদের ব্যবহারের নিয়মকানুন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

কপিরাইট ফ্রি বা রয়্যালটি ফ্রি উপাদান আসলে কী?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যে ছবি বা অডিও ব্যবহার করার জন্য আসল মালিককে কোনো টাকা দিতে হয় না বা বারবার ব্যবহারের জন্য কোনো আইনি বিধিনিষেধ থাকে না, তাকে কপিরাইট ফ্রি বা রয়্যালটি ফ্রি উপাদান বলে। তবে এর মধ্যেও কিছু লাইসেন্সের ধরন থাকে। যেমন—Creative Commons Zero (CC0) লাইসেন্সভুক্ত উপাদান আপনি যেকোনো কাজে, এমনকি ব্যবসায়িক (Commercial) কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন, আর এর জন্য কাউকে ক্রেডিট বা অ্যাট্রিবিউশন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, কিছু সাইটে ফ্রি উপাদান ব্যবহারের শর্ত হিসেবে ডেসক্রিপশনে ক্রিয়েটরের নাম বা লিংক (Credit/Attribution) দিতে হয়।

সেরা ৫টি কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

ব্লগ পোস্ট, ইউটিউব থাম্বনেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য হাই-কোয়ালিটি ছবি প্রয়োজন হলে নিচের ওয়েবসাইটগুলো আপনার সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে।

১. Pixabay (পিক্সাবে)

বিনামূল্যে ছবি ডাউনলোডের কথা উঠলে সবার আগে Pixabay-এর নাম আসে। তাদের ডেটাবেসে কয়েক মিলিয়ন কপিরাইট ফ্রি ছবি, ভেক্টর গ্রাফিক্স, ইলাস্ট্রেশন এবং ছোট ভিডিও ক্লিপ রয়েছে।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এখানে থাকা প্রায় সব ছবিই CC0 লাইসেন্সের আওতাভুক্ত। অর্থাৎ, আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে এবং ক্রেডিট দেওয়া ছাড়াই এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ব্যবহারের সুবিধা: সার্চ অপশন খুবই উন্নত। আপনি সহজেই রেজোলিউশন ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী ছবি খুঁজে নিতে পারবেন।
  • সতর্কতা: কিছু ছবির নিচে স্পনসরড (Sponsored) ছবি হিসেবে iStock-এর পেইড ছবি দেখানো হয়, সেগুলো ডাউনলোড করতে গেলে টাকা লাগতে পারে। তাই ফ্রি অপশন থেকে ডাউনলোড করতে হবে।

২. Unsplash (আনস্প্ল্যাশ)

আপনি যদি সাধারণ স্টক ছবির চেয়ে একটু বেশি নান্দনিক (Aesthetic) এবং প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি খুঁজছেন, তবে Unsplash আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: সারা বিশ্বের প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা এখানে নিজেদের তোলা হাই-রেজোলিউশন ছবি আপলোড করেন।
  • ব্যবহারের সুবিধা: ন্যাচার, টেকনোলজি, আর্কিটেকচার থেকে শুরু করে যেকোনো ক্যাটাগরির দারুণ সব ছবি এখানে পাওয়া যায়। ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ফিচার ইমেজ (Featured Image) হিসেবে ব্যবহারের জন্য এটি দারুণ।
  • অসুবিধা: এখানে ভেক্টর বা ইলাস্ট্রেশন পাওয়া যায় না, শুধুমাত্র বাস্তব ছবি (Photography) পাওয়া যায়।

৩. Pexels (পেক্সেলস)

Pixabay-এর অন্যতম বড় প্রতিযোগী হলো Pexels। এখানে ছবির পাশাপাশি দারুণ সব রয়্যালটি ফ্রি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: যারা ইউটিউব শর্টস (Shorts) বা ইনস্টাগ্রাম রিলস (Reels) তৈরি করেন, তাদের জন্য পেক্সেলসের ভার্টিক্যাল (Vertical) ভিডিও ফুটেজগুলো খুবই কাজের।
  • ব্যবহারের সুবিধা: এখানকার লাইসেন্স খুবই সহজ। ছবি বা ভিডিও ডাউনলোড করে নিজের মতো এডিট করে ব্যবহার করা যায় এবং কোনো ক্রেডিট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
  • ওয়েবসাইটের স্পেশালিটি: কালার প্যালেট অনুযায়ী ছবি খোঁজার একটি বিশেষ ফিচার এখানে রয়েছে।

৪. Freepik (ফ্রি-পিক)

গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাছে এটি একটি পরিচিত নাম। ব্লগের জন্য কাস্টম থাম্বনেইল বা ইনফোগ্রাফিক তৈরি করতে চাইলে Freepik-এর বিকল্প নেই।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: ছবি ছাড়াও এখানে লক্ষ লক্ষ ভেক্টর ফাইল, আইকন এবং PSD টেমপ্লেট পাওয়া যায় যা ইলাস্ট্রেটর বা ফটোশপে এডিট করা সম্ভব।
  • ব্যবহারের সুবিধা: একটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ডিজাইন খুব সহজেই ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিজের মতো কাস্টমাইজ করা যায়।
  • সতর্কতা: এর ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করলে অবশ্যই ডিজাইনারকে অ্যাট্রিবিউশন বা লিংক ক্রেডিট দিতে হবে। তাছাড়া প্রতিদিন ফ্রি ডাউনলোডের একটি নির্দিষ্ট সীমা (Limit) থাকে।

৫. Burst by Shopify (বার্স্ট)

জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম শপিফাই (Shopify) দ্বারা পরিচালিত একটি স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট হলো Burst। মূলত উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট মালিকদের কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি করা হয়েছে।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: বিজনেস, ই-কমার্স, মার্কেটিং, রিটেইল এবং প্রডাক্ট ফটোগ্রাফির জন্য এটি অন্যতম সেরা সাইট।
  • ব্যবহারের সুবিধা: এখানকার সব ছবি কমার্শিয়াল কাজের জন্য একদম ফ্রি। আপনি চাইলে আপনার অনলাইন স্টোর, ব্লগিং সাইট বা ফেসবুক অ্যাডে নিশ্চিন্তে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

সেরা ৫টি কপিরাইট ফ্রি মিউজিক ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

ভিডিওর মুড এবং ইমোশন ফুটিয়ে তুলতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ভূমিকা অনেক। ভুল মিউজিক ব্যবহার করলে ইউটিউব চ্যানেল ডিমানিটাইজ হয়ে যেতে পারে। তাই ভরসা রাখতে পারেন নিচের ৫টি ওয়েবসাইটের ওপর।

১. YouTube Audio Library (ইউটিউব অডিও লাইব্রেরি)

ইউটিউবারদের জন্য এর চেয়ে নিরাপদ জায়গা আর একটিও নেই। এটি ইউটিউবের নিজস্ব লাইব্রেরি, যা সরাসরি আপনার ইউটিউব স্টুডিওর (YouTube Studio) ভেতরেই থাকে।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: হাজার হাজার মিউজিক ট্র্যাক এবং সাউন্ড ইফেক্টস (Sound Effects) যা জেনার (Genre), মুড (Mood) বা আর্টিস্টের নাম লিখে ফিল্টার করা যায়।
  • ব্যবহারের সুবিধা: এখানকার মিউজিক ব্যবহার করলে জীবনেও কপিরাইট ক্লেইম আসার ভয় থাকে না।
  • সতর্কতা: কিছু মিউজিকে "Attribution Required" লেখা থাকে। সেগুলো ব্যবহার করলে ভিডিওর ডেসক্রিপশন বক্সে নির্দিষ্ট লেখাটি কপি করে দিতে হবে। আর "Attribution Not Required" লেখা থাকলে কিছুই দিতে হবে না।

২. Pixabay Music (পিক্সাবে মিউজিক)

ছবির মতো মিউজিকের ক্ষেত্রেও Pixabay Music দারুণ একটি সোর্স। ভ্লগিং (Vlogging), পডকাস্ট বা সিনেমাটিক ভিডিওর জন্য এখান থেকে হাই-কোয়ালিটি অডিও ডাউনলোড করা যায়।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: সম্পূর্ণ রয়্যালটি ফ্রি এবং কোনো প্রকার ক্রেডিট দেওয়ার ঝামেলা নেই।
  • ব্যবহারের সুবিধা: অডিওর লেংথ (Length) বা মুড সিলেক্ট করে খুব দ্রুত কাঙ্ক্ষিত মিউজিক খুঁজে বের করা সম্ভব।

৩. Bensound (বেনসাউন্ড)

আপনি যদি করপোরেট প্রেজেন্টেশন, মোটিভেশনাল ভিডিও বা টেকনোলজি রিলেটেড ভিডিও বানান, তবে Bensound-এর মিউজিক ট্র্যাকগুলো আপনার খুব পছন্দ হবে।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এখানকার অ্যাকোস্টিক (Acoustic) এবং ফোক (Folk) মিউজিকগুলো ইউটিউবারদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।
  • ব্যবহারের সুবিধা: ফ্রি লাইসেন্সের আওতায় অনেক প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ট্র্যাক ডাউনলোড করা যায়।
  • সতর্কতা: ফ্রি ট্র্যাকগুলো ব্যবহার করলে অবশ্যই আপনার ভিডিও বা আর্টিকেলের ডেসক্রিপশনে Bensound-কে ক্রেডিট দিতে হবে। তাছাড়া ফ্রি মিউজিক দিয়ে অডিওবুক (Audiobook) বা পডকাস্ট তৈরি করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

৪. Incompetech (ইনকম্পিটেক)

ইউটিউবের শুরুর দিকের ভিডিওগুলোতে যে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকগুলো শোনা যেত, তার বেশিরভাগই বিখ্যাত কম্পোজার কেভিন ম্যাকলিওডের (Kevin MacLeod) তৈরি। আর তার ওয়েবসাইটটিই হলো Incompetech

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: কমেডি, হরর, সাসপেন্স বা টিউটোরিয়াল—সব ধরনের ভিডিওর জন্য এখানে ক্লাসিক সব মিউজিক পাওয়া যায়।
  • ব্যবহারের সুবিধা: মিউজিকের কালেকশন বিশাল এবং এগুলো ভিডিওতে ব্যবহার করলে এক ধরনের নস্টালজিক ফিল আসে।
  • সতর্কতা: এখানকার মিউজিক ফ্রি ব্যবহার করতে চাইলে ভিডিও ডেসক্রিপশনে ক্রিয়েটরের নাম এবং লাইসেন্সের বিবরণ হুবহু উল্লেখ করতে হবে (CC-BY লাইসেন্স)।

৫. Mixkit (মিক্সকিট)

বিখ্যাত ডিজিটাল অ্যাসেট কোম্পানি Envato-এর একটি প্রজেক্ট হলো Mixkit। এখানে চমৎকার সব রয়্যালটি ফ্রি মিউজিকের পাশাপাশি সাউন্ড ইফেক্টস এবং ভিডিও টেমপ্লেট পাওয়া যায়।

  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: কোনো অ্যাকাউন্ট তৈরি করা বা সাইন আপ করা ছাড়াই এক ক্লিকে মিউজিক ডাউনলোড করা যায়।
  • ব্যবহারের সুবিধা: এখানকার অডিও ট্র্যাকগুলো খুবই আধুনিক এবং ইউটিউব ভিডিও থেকে শুরু করে কমার্শিয়াল প্রোজেক্টেও নিশ্চিন্তে ব্যবহারযোগ্য।

লাইসেন্স বা ক্রেডিট দেওয়ার নিয়ম (একনজরে)

ওয়েবসাইট থেকে ছবি বা মিউজিক ডাউনলোডের পর সেটি কীভাবে ব্যবহার করবেন, তা নির্ভর করে লাইসেন্সের ওপর। নতুন ক্রিয়েটরদের সুবিধার জন্য বিষয়টি একটি টেবিলের মাধ্যমে নিচে তুলে ধরা হলো:

লাইসেন্সের ধরন এর মানে কী? কীভাবে ব্যবহার করবেন?
CC0 (Creative Commons Zero) সম্পূর্ণ পাবলিক ডোমেইন। কোনো পারমিশন বা ক্রেডিট ছাড়াই বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত কাজে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
CC BY (Attribution Required) ফ্রি, কিন্তু ক্রেডিট দিতে হবে। ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু ডেসক্রিপশন বা আর্টিকেলের নিচে মূল ক্রিয়েটরের নাম বা লিংক উল্লেখ করতে হবে।
CC BY-NC (Non-Commercial) শুধুমাত্র ব্যক্তিগত কাজের জন্য। অ্যাডসেন্স যুক্ত ব্লগ বা মনিটাইজ করা ইউটিউব চ্যানেলে এই লাইসেন্সের উপাদান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।


অ্যাডসেন্স ও এসইও (SEO)-এর জন্য কিছু জরুরি টিপস

PriyoTips-এর পাঠকদের জন্য একটি প্রো-টিপস (Pro-tips) হলো—গুগল অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য শুধু কপিরাইট ফ্রি ছবি ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়। গুগলের বট এখন অনেক বেশি স্মার্ট। একটি ফ্রি ছবি হাজার হাজার ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে। তাই হুবহু একই ছবি আপলোড করলে সেটি 'Duplicate Content' হিসেবে ধরা হতে পারে।

এ থেকে বাঁচতে কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোড করার পর তা সরাসরি ব্লগে আপলোড না করে Canva বা Photoshop-এর মাধ্যমে কিছুটা এডিট করে নিন। ছবির ওপর আপনার আর্টিকেলের টাইটেল লিখে দিতে পারেন, সামান্য কালার কারেকশন করতে পারেন এবং ছবির সাইজ কমিয়ে WebP ফরম্যাটে সেভ করতে পারেন। এতে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড ভালো থাকবে এবং এসইও-তে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উপসংহার

ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে অন্যের সম্পত্তি বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা একটি বড় অপরাধ, যা আপনার ক্যারিয়ারকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। উপরে উল্লেখিত কপিরাইট ফ্রি ছবি ও মিউজিক ডাউনলোড করার সেরা ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে আপনি আইনি ঝামেলা থেকে যেমন মুক্ত থাকতে পারবেন, তেমনি আপনার কাজের কোয়ালিটিও অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে। শুধুমাত্র ডাউনলোডের সময় লাইসেন্সের ধরনটা একবার চেক করে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

আশা করি, কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের এই যাত্রায় আর্টিকেলটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলের জন্য আপনি কোন প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তা কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এরকম আরও তথ্যবহুল ও প্রয়োজনীয় টিপস পেতে PriyoTips.com-এর সাথেই থাকুন!

Post a Comment